মার্চ থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল শুরু

0
31

ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি (হি. স.) : আগামি মার্চ থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল শুরু হচ্ছে। আর এ মহাযজ্ঞের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশীর সঙ্গে সাক্ষাত শেষে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আদর্শ সোয়াইকা এ তথ্য জানান।সোয়াইকা বলেন, মার্চ থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটকবাহী নৌযান চালু হবে। প্রথমে ভারতের পর্যটক দল নৌপথে বাংলাদেশের সুন্দরবন ভ্রমণ করবে। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে রাজধানী ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে ১৫টি ভিসা ইস্যু সেন্টার চালু করেছে ভারত। <!–

–>
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা আরও সহজ এবং পুরো ভারত ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করার কাজ চলছে।

চিকিত্‍সা ভিসা সহজ ও এর ভোগান্তি কমানোর কাজও চলছে। একইসঙ্গে বর্তমান সীমান্ত বাজারগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী বলেন, “মার্চে উভয় দেশের মধ্যে পর্যটকবাহী নৌযান চালু হলে দু’দেশের পর্যটকরা নৌপথে ভ্রমণ শুরু করবে। ভারত বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। উভয় দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে আমরা একমত। এতে উভয় দেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।”বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের তিনটিতে ভারত বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে মংলায় ১১০ একর জমির ওপর বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে। এরই মধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। চট্টগ্রামে মীরেরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক অঞ্চলে তারা ১০০০ একর জমির উপর এবং ভেড়ামারায় অপর একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এ দু’টি কাজও দ্রুত শুরু হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “দিনাজপুরের চিলাহাটি সীমান্তে একটি স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তাব দিয়েছে। সীমান্ত বাজারের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আমরা উভয় দেশ একমত হয়েছি। বর্তমান সীমান্ত বাজারগুলোর পাশাপাশি নতুন করে আরও ৬টি সীমান্ত বাজার চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।”টিপু মুনশী বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসনে ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ব্যবধান দূর করতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় দেশের বর্তমান বাণিজ্য ৯ হাজার ৪৯২ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পণ্যের রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৭২ দশমিক ৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৩ দশমিক ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

IT24BD

Source

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here