এসব কথা কাউকে বলতে হয় না

0
66

প্রতিদিন আমি আর আমার স্বত্তার সাথে যুদ্ধ চলে অপরাজিতার। পৃথিবীর সব যুদ্ধের চেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধ হয় তখনই যখন নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী সেনিজেই। আর সেই যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত অবসন্ন শরীরটা ক্রমশ ভারশূন্য হয়ে পড়ে। বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে কিছুটা সময়ের জন্য মুক্ত অপরাজিতার দীর্ঘশ্বাস কথা বলে না। শুধু বার বার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে মরণের ওপারে। মনে হয় আর কত!!

ছোটবেলায় দশ বছর বয়সের সময় একবার গৃহশিক্ষক দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয় অপরাজিতা। প্রতিদিনই অপরাজিতার গৃহশিক্ষক সুখেন চন্দ নানা অজুহাতে ওর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করতো। খুব অস্বস্তি বোধ হলেও কখনো কাউকে বলতে পারতোনা অপরাজিতা। একবার মাকে বলেছিল, কিন্তু মা ওকে ধমক দিয়ে বসিয়ে দিয়েছিল “নিজের শিক্ষাগুরু সম্পর্কে এমন কথা বলতে লজ্জা করে না তোর? <!–

–>
শিক্ষাগুরু ভগবানের সমান তাকে নিয়ে বাজে কথা বলতে হয় না মা। তাছাড়া উনি বয়স্ক মানুষ, তোকে অনেক আদর করেন। আর কখনো এসব বলবি না। ভগবান পাপ দেবে।” মেয়ের কথাগুলো পুরোটা না শুনেই ওকে ধমক দিয়ে বসিয়ে না দিলে হয়তো এত বড় দুর্ঘটনাটা ঘটতে পারতো না।

একদিন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অপরাজিতার গৃহশিক্ষক সুখেন ওকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায়। ওখানেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল অপরাজিতা। কিছুক্ষণ পরে ওর মা বাবা ছোট দুই ভাই বোনকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসার পর মেয়ের এ অবস্থা দেখে চমকে ওঠেন। হয়তো কষ্টও পেয়েছিলেন হাজার হোক জন্মদাতা পিতা মাতা তো। কিন্তু মেয়ের এই অবস্থার জন্য বার বার ভাগ্যকে দায়ী করছিলেন। অপরাজিতার বাবা মা বার বারই বলছিলেন হায় ভগবান কেন মেয়ে দিলে!! মেয়েই যখন দিলে তখন এমন বিপদ কেন দিলে? এখন কি করে মুখ দেখাবো সমাজে? লোক জানাজানি হলে তো এই মেয়েকে কেউ বিয়ে করবে না।

কিন্তু অপরাজিতার অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে হসপিটালে না নিলেই নয়, তাছাড়া মানসিক ভাবেও তো ওই একটুখানি মেয়েটা ভীষণ কষ্ট পেয়েছিল। কিন্তু অপরাজিতাকে হসপিটালে নিলে থানা পুলিশ হবে, লোক জানাজানি হবে, মানসম্মান সব চলে যাবে। যাইহোক অপরাজিতাকে হসপিটালে নেওয়া হলো না। ওর দুঃসম্পর্কের এক মামা থাকে পাশের গ্রামে। তিনি একজন হাতুড়ে ডাক্তারও বটে। অপরাজিতাকে ওই দুঃসম্পর্কের মামার কাছেই রেখে আসে ওর বাবা মা চিকিত্‍সার জন্য।

অপরাজিতাকে ওই মামার বাড়িতে রেখে আসার সময়ই ওর মা বলে আসে “তোর সাথে যা হয়েছে এসব কথা কাউকে বলবি না, এগুলো অতি গোপনীয় বিষয়। এসব কথা কাউকে বলতে হয় না। এসব যদি কেউ জানতে পারে তাহলে লোকে তোকেই খারাপ মনে করবে।”

দশ বছর বয়সী অপরাজিতা বুঝে উঠতে পারে না, সে তো কোনো অপরাধ করেনি, তাহলে লোকে তাকে কেন খারাপ ভাববে!! অথচ যে শিক্ষক ওর পরম পূজনীয় সেই কিনা ওর সাথে এমন করতে পারলো!! তবুও কাউকে কিছু বলে না অপরাজিতা। শুধু কান্নাগুলো ঘনীভূত হতে থাকে।

ওই মামার ওখানে অপরাজিতার চিকিত্‍সা চলছিল। চিকিত্‍সার অজুহাতে দুঃসম্পর্কের ওই মামা প্রতিদিন ওকে বিবস্ত্র করে ওর সারা গায়ে হাত বুলাতো। ওকে বাধ্য করতো লোকটির শিশ্নাঙ্গ ধরতে। তবুও কাউকে কিছু বলতে পারতো না অপরাজিতা। ওখানে যে দশদিন অপরাজিতা ছিল ওর কাছে মনে হতো চোরাবালি থেকে উঠে যেন জলন্ত আগুনে পড়লো।

বাড়িতে ফিরে সুস্থ জীবন যাপন আর পড়াশোনায় মনোনিবেশ করে অপরাজিতা। প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পদার্পণ করে। তবুও আশংকা আর হাহাকার পিছু ছাড়ে না অপরাজিতার। স্কুল থেকে ফেরার পথে কয়েকটা ছেলে ওকে খুব আজেবাজে কথা বলতো এবং অসঙ্গতিপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি করতো। তবুও কারো কাছে কিছু বলে না অপরাজিতা। কারণ ছোটবেলা থেকেই তো তার মা তাকে বলেছে এসব খারাপ। এসব কথা কাউকে বলতে হয় না।

মাধ্যমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক এই সময়টা স্কুলে আর কোচিং সেন্টারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে অপরাজিতার জীবন। তবুও এতটুকু মানসিক স্বস্তি পায়না অপরাজিতা। নিজের ভেতর বসত করা অন্তর্দ্বন্দ্বের অবসান হয় না আরো একবার। কোচিং সেন্টারের স্যারেরা নানা বাহানায় অপরাজিতার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিত। না শুধু অপরাজিতা না, অন্য সব মেয়েদের ছেড়ে দিয়েছে তা নয়। যখন যাকে যেভাবে পেরেছে কোচিং সেন্টারের স্যারেরা তার শরীর ছোঁয়ার প্রয়াস করেছে। এসবও অপরাজিতার নজর এড়ায়নি।

একবার অপরাজিতা ওর এক বান্ধবীর বাসায় যায়। ওখানে সোফায় বসে সবাই মিলে টিভি দেখছিল আর গল্প করছিল। ওর বান্ধবীর বাবা ঠিক ওর পাশেই বসেছিলেন। হঠাত্‍ করে অপরাজিতা যখন অন্যমনস্ক ভাবে টিভির দিকে তাকিয়ে ছিল, ঠিক তখনই ওত্‍ পেতে থাকা ওর বান্ধবীর বাবা সুযোগ বুঝে ওর বুকের মধ্যে একটা চাপ দিল। অপরাজিতা মাথা নিচু করেই বসে ছিল, কিন্তু কিছু বলতে পারলো না। দ্রুত ওখান থেকে উঠে বাড়ি চলে আসলো। না ওই লোকটার বিকৃত হাসির দিকে একবারও তাকায়নি অপরাজিতা।

এর কয়েকদিন পরে পাশের বাড়িতে কালীপুজোর উত্‍সব। ওরা সবাই মিলে পূজো দেখতে গেছে। জল খাওয়ার জন্য সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটু অন্ধকারে যেতেই ওই বাড়িরই ছেলে যাকে রতীন দা বলেই ডাকে অপরাজিতা। অন্ধকারের মধ্যে পেছন থেকে অপরাজিতার হাতটা টেনে ধরে জোর করে ওর ঠোঁটে চুমু দিয়ে দিল। কি বীভত্‍স সেই চুম্বন দৃশ্য!! একপ্রকার জোর করেই অপরাজিতাকে বাহুডোরে বেঁধে ফেললো। কোনোরকমে নিজেকে ছাড়িয়ে মা আর ছোট ভাইয়ের পাশে এসে বসলো। সেই থেকে আর ও বাড়িতে কখনো যায়নি অপরাজিতা। কিন্তু এসব কথাও কখনো কাউকে বলে না অপরাজিতা।

উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় অপরাজিতা। এতদিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা আরো বেশি তিক্ত হতে থাকে। এতদিন ওর শরীর অরক্ষিত ছিল আত্মীয় স্বজন আর পরিচিত মানুষের দ্বারা। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পা দেওয়ার পর পরই ওর শরীরের স্বাদ নিতে থাকে অপরিচিত ব্যক্তিরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইয়েরা নানা ধরনের আপত্তিকর কথা বলতো, সাথে সাথে নানা ধরনের আপত্তিকর ভিডিও পাঠাতে থাকে অপরাজিতার মোবাইলে। কেউ কেউ তো ফোন সেক্স করার প্রস্তাব দিত। ওদের এসব আপত্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেলেই ফেইক ভিডিও তৈরি করার হুমকি দিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্র্যাকটিকালক্লাসে বিভিন্ন বিষয় বুঝানোর অজুহাতেওর এবং ওর সহপাঠীদের শরীর স্পর্শ করতো। এমনকি নানা ধরনের কুপ্রস্তাব দিতেও দ্বিধা করতো না। আর এসব প্রস্তাবে রাজি না হলেই পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি তো আছেই। পরীক্ষায় কম নাম্বার দিলে অথবা ফেল করিয়ে দিলে বাবা মায়ের স্বপ্ন পূরণ হবে না, হ্যাঁ নিজের স্বপ্নও পূরণ হবে না তাই অপরাজিতারা বাধ্য হয়েই পরাজিত হয় বার বার।

এত কিছুর পরেও কাউকে কিছু বলতে পারে না অপরাজিতা। কারণ সে মেয়ে। মেয়েদের চরিত্রে দাগ লাগলে নাকি তা মোচন হয় না। ছোটবেলা থেকেই সে জেনে এসেছে এসব। তাইতো চরিত্রে দাগ লাগার ভয়ে কারো কাছে মুখ খোলে না অপরাজিতা। আর বলেই বা কি হবে?? নিজেই তো দেখেছে একটা মেয়ে যৌনহয়রানির স্বীকার হলে কেউ যেমন মেয়েটির পাশে এসে দাঁড়ায় না, বরঞ্চ একটা ঠাট্টার পাত্রী হয়ে থেকে যায়। আর এই সুযোগে মিডিয়া তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ায়। সরকারি দল লোকদেখানো সিমপ্যাথি দেখায় আর বিরোধী দল ক্ষমতায় আসার মাধ্যম খুঁজতে থাকে। সর্বোপরি সাধারণ জনতা যৌনহয়রানির ঘটনা পড়ে বা দেখে চায়ের মজাটাকে আরো একটু বাড়িয়ে ফেলে। আর আমাদের মতো লেখকরা এগুলো লিখে জনপ্রিয় হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। কিন্তু মানবাধিকার আর মানবতা নিঃশব্দে কেঁদে চলে এসব কথা কাউকে বলতে না পারার যন্ত্রণায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় কয়েকটা টিউশনি করে নিজের খরচ নিজেই চালানোর চেষ্টা করতে থাকে অপরাজিতা। তবে টিউশনি করার জন্য ছাত্র ছাত্রীদের বাসায় যেতে হতো অপরাজিতার। একদিন চা খেতে খেতে এক ছাত্রীর বাবা ওর হাঁটুর উপরের অংশে হাত দিয়ে স্পর্শ করে। হঠাত্‍ এমন পরিস্থিতিতে কেঁপে ওঠে অপরাজিতা। চারদিকটা সতর্ক ভাবে দেখে নেয় সে। কেউ দেখে ফেললোনা তো তাহলে যে চরিত্রে দাগ লেগে যাবে। ওখান থেকে শেষবারের মতো বিদায় নেওয়ার সময় ওই ছাত্রীর মাকে পরীক্ষার মিথ্যা কথা বলে বিদায় নেয়। দ্বিতীয় বার ও বাড়িতে পা রাখেনি অপরাজিতা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা শেষ করে চাকরির বাজারে চলে দরকষাকষি। কখনো এই দরকষাকষি চলে অর্থের পরিমাপে আবার কখনো বা শরীর প্রদর্শনের পরিমাপে। কেউ কেউ বাধ্য হয়েই নিজের সতীত্ব বিসর্জন দিয়ে এই বেকারত্বের বাজার থেকে একটা বহুমূল্য চাকরি লুফে নেয়। তবে অপরাজিতার চাকরি পাওয়ার জন্য এসব কিছুরই প্রয়োজন হয় নি। রেজাল্ট ভালো হওয়ার সুবাদে অপরাজিতার চাকরি হয়ে যায় নারী অধিকার সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা “মুক্তি” নামক একটি দেশীয় সংগঠনের ফিল্ড অফিসার হিসেবে।

প্রতিদিন লোকাল বাসে অপরাজিতার অফিস গমন আর প্রস্থান চলে। না প্রতিদিন ট্যাক্সি করে অফিসে যাওয়া আবার বাড়িতে ফেরার সামর্থ্য নেই অপরাজিতার। সামর্থ্য নেই তা না, ছোট দুই ভাইবোনের পড়ালেখা সংসারের খরচ সব এখন অপরাজিতার উপরেই। বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের ভার অপরাজিতার কাঁধে এসে পড়েছে।

প্রতিদিন লোকাল বাসে উঠতে নামতে গাড়ির হেলপার ছেলেটা অপরাজিতার পিঠে হাত রাখে। ও লক্ষ্য করে বাকি মহিলাদের সাথেও ছেলেটি এমন করছে কিনা!! হ্যাঁ প্রায় প্রত্যেক মহিলা যাত্রীর সাথেই ছেলেটি একই ব্যবহার করছে। গেটের অর্ধেকটা জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকছে আর কেউ উঠতে গেলে বা নামতে গেলে ওর শরীরের সাথে নিজের শরীরের স্পর্শ লাগছে।

লোকাল বাসে বা ট্রেনে সবসময় সিট্পাওয়া যায় না। কখনো কখনো দাঁড়িয়ে থাকতে হয় সমস্ত পথ। ভিড়ের মাঝ থেকে লোভী হাতগুলো অপরাজিতার শরীরের দিকে ধাবিত হয়। কখনো কখনো জায়গা থাকলেও কিছু কিছু লোক এমনভাবে দাঁড়ায় বা গায়ের উপর ঢলে পড়ে বোঝানোর চেষ্টা করে ভিড়ের কারনে বাধ্য হয়েই এমন করছে, তবে বাস্তবে এমন না। ইচ্ছে করেই এমন করে কিছু লোক। তবুও মুখ বুজে সব সহ্য করে অপরাজিতা। বাইরে চলাফেরা করতে গেলে নাকি এগুলো সহ্য করতে হয়। তাই কারো গালে চড় দিয়ে বলতে পারে না একটু সোজা হয়ে দাঁড়ান। কখনো কখনো মেলাতে অথবা ভিড়ভাট্টা পূর্ণ স্থানে অপরাজিতা পেছনে হাত দিয়ে চাপ দেয় কিছু অপরিচিত মুখ। কখনো কনুই দিয়ে বুকে বা পেটের কাছে ধাক্কা দিয়ে বলে সরি আবার কখনোবা ইচ্ছা করে গায়ের উপর উঠে এসেই বলে দেখে চলবেন তো ম্যাডাম!! প্রথম দিকে খুব অবাক হলেও এখন আর অবাক হয় না অপরাজিতা। এগুলো এখন রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সদ্য চাকরিতে যোগদান করেছে অপরাজিতা। অফিসের বস নানান বাহানায় অপরাজিতাকে ছোঁয়ার চেষ্টা করে। কখনো কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার অজুহাতেকখনোবা কাজের ফাঁকে লোকচক্ষুর আড়ালে আবার কখনো চা বিরতির সময়। প্রতিদিন নতুন করে নিজের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয় অপরাজিতা। এ যুদ্ধ তাকে যৌন হয়রানি থেকে বাঁচাতে পারে না একবিন্দুও। পারে না দুঃখটাকে গ্রাস করে নতুন সূর্য কিরণ এনে দিতে। প্রতিদিন রাতে বেঁচে ওঠার স্বপ্ন দেখে সকালবেলায় কোনো না কোনো দুর্ঘটনা আবারো মৃত্যু মুখে পতিত করে অপরাজিতা আর অপরাজিতার নারী স্বত্বাকে।

প্রতি মুহূর্তের এই যুদ্ধ আদৌ কখনো বন্ধ হবে কি?? কারণ “এসব কথা কাউকে বলতে হয় না।” প্রতিদিন একাই নিঃশেষ হয় অপরাজিতা জীবনের তিক্ত সময়ের সবটুকু যন্ত্রণা নিজের ভিতরেই জ্বলে ওঠে আবার নিজের ভেতরেই দাহ হয় অব্যক্ত যন্ত্রণার। শুধুমাত্র অন্তর থেকে উঠে আসা দীর্ঘশ্বাস গুলো অপরাজিতার অব্যক্ত যন্ত্রণার সাক্ষী হয়ে রয়। তবুও হাল ছাড়ে না অপরাজিতা। আশা আর অঙ্গীকার নিয়ে ছুটে চলা এক নতুন গন্তব্যের পথে নতুন সূর্যোদয়েরসাথে নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন নিয়ে। আর সেই নতুন সকালের সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেগে উঠুক মানবিকতা আর মনুষ্যত্ব।।

“”যৌনহয়রানি বন্ধ হোক মানবিকতার বিকাশ ঘটুক।””

️স্বর্লোক সুমু

By – Swarlok Sumu

IT24BD

Source

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here