স্কুল থেকে ফেরার পর শিশুকে কী খাওয়াবেন

0
35

শিশুর সঠিক শারীরিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়াটা খুবই জরুরী। শৈশবে খাদ্যভ্যাস ঠিক থাকলে শিশু বেড়ে ওঠে সুস্থতা নিয়ে। এ কারণে পিতামাতার উচিত শিশুকে শুধু সুস্বাদু নয়, বরং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ানো, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং তাদের স্ট্রেস কম রাখা।

স্কুলে যাওয়ার বয়স হলেও শিশুর খাদ্যভ্যাসে মনোযোগ রাখা উচিত। দিনের একটা বড় সময় স্কুলে কাটানোর পর সাধারণত বাসায় এসে শিশু ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এ সময়ে তাদের ক্ষুধা লাগাটাই স্বাভাবিক। সাধারণত বাসায় ফেরার পথেই চিপস, বিস্কুট, চকলেট বা আইসক্রিম খাওয়ার আবদার জানায় শিশুরা। কিন্তু এ ধরণের জাঙ্ক ফুড তাকে দেবেন না।

বরং স্বাস্থ্যকর একটি খাবার দিতে পারেন, তা হলো চীনাবাদাম ও গুড়ের মিশ্রণ। <!–

–>
খাবারটি যথেষ্টই সুস্বাদু, স্বাস্থ্যকর এবং তা খুব কম ঝামেলায় খাওয়া যায়। বাচ্চারা গাড়িতে বা স্কুল বাসে বসেই তা খেতে পারে। এমনকি বাসায় ফেরার পথে হাঁটতে হাঁটতেও খেতে পারে। দেখে নিন কী কী কারণে এই মিশ্রণ স্বাস্থ্যকর-

বাদাম ও গুড়ের মিশ্রণ একটি ‘কমপ্লিট মিল’

তা খাওয়া ও তৈরি করা কোনোটিই কঠিন নয়

এতে আছে বেশ কিছু মাইক্রো-মিনারেলস, ভিটামিন ও পলিফেনলস

এতে আছে বেশকিছু এসেনশিয়াল ফ্যাট, যা হৃত্‍পিণ্ড ও হাড়ের জন্য উপকারী। তা মূলত খেলাধুলা করে এমন শিশুর জন্য জরুরী।

এতে অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যেসব শিশু ফল ও সবজি পছন্দ করে না তাদের জন্য এটা উপকারী।

বয়ঃসন্ধিকালের জন্য এই খাবারটি উপকারী কারণ এতে থাকে ভিটামিন বি ও দরকারি মিনারেলস। তা ঋতুস্রাব চলাকালীন ব্যথা দূর করতেও উপকারী।

এই খাবারটি তৈরি করতে চীনাবাদামের বদলে কাজুবাদামও দিতে পারেন। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে এতে যোগ করতে পারেন এক চা চামচ ঘি। শুকনো নারকেলও দেওয়া যেতে পারে খাবারটিতে। এরপর সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে একটি টিফিন বক্স বা কাগজের প্যাকেটে দিয়ে দিতে পারেন। সূত্র: এনডিটিভি

IT24BD

Source

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here